দুর্গাপুরে কালবৈশাখীর হানা গাছ ভেঙে বসতঘরে, প্রাণে বাঁচল আছমা খাতুন
নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, দূর্গাপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ১০:০৮ রাত

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। এতে ছোট বড় বহু ফলদ গাছ পড়ে গিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
উচ্চমাত্রার ক্ষয়-ক্ষতি না হলেও আঁধা পাকা বসতঘর গুলো ভেঙ্গে গেছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় বেশ কয়েকটি পরিবার। শুক্রবার (০৮ মে) বিকেল ৪টা থেকে ৪.৩০ মি. পর্যন্ত এ ঝড় বয়ে যায়।
দুর্গাপুর পৌরশহরের ৫নং ওয়ার্ডের পুর্ববাগিচা পাড়া এলাকায় কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে ওই এলাকার আছমা খাতুনের ঘরের ওপর বড় একটি জামগাছ পড়ে পুরো ঘরটিই দুমরে মুচরে যায়। বর্তমান নাতি ও অসুস্থ্য সন্তান কে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি। তাৎক্ষণিক সহায়তার নগদ অর্থসহ শুকনো দিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার। এই অসহায় পরিবারকে সহায়তা করতে সকলকে আহবান জানান তিনি।
আছমা খাতুন বলেন, অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচিকার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। স্বামীর মৃত্যু হয়েছে প্রায় চার বছর। প্রতিবেশিদের সহায়তায় মাটির দেয়াল দিয়ে তৈরি করা বসত ঘরটিও ঝড়ে ভেঙ্গে গেলো। আজ বিকেলে বিশাল ঝড় শুরু হয়। ঝড়ে ঘরের পাশে থাকা বড় জাম গাছটি দুমরে মুচড়ে পড়ে আমার ঘরের ওপর। দৌড়ে কোন রকমে পাশের ঘরে আশ্রয় নিয়েছি। গাছ পড়ে ঘরের চালসহ ভিতরে থাকা সকল আসবাবপত্র গাছের নিচে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়। আজ রাত কাটাবো কিভাবে সে ভাবনাই করছি।
স্থানীয় বাসিন্দ সেকুল মিয়া বলেন, আসমা খাতুন খুবই দরিদ্র একজন মহিলা। বিকালের ঝড়ে তার সব কিছুই ক্ষতি হয়ে গেলো। ঘরের পাশে থাকা একটি বিশাল আকারের জাম গাছ পড়ে তার ঘরটি দুমরে মুচরে যায়। বর্তমানে তাঁর কেনো সামর্থ্য নেই যে ঘরটি পুনরায় মেরামত করবে। তাঁকে যেনো সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হয় এটা আমাদের এলাকাবাসীর দাবি।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি জেনেছি। গাছটি সরিয়ে নেওয়াসহ ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার বিতরণ সহ প্রয়োজনীয় সব রকমের সহযোগিতা করা হবে।







