ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালের অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
আরবান ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৫ দুপুর
_original_1775726722.jpg)
রাজধানীর আদাবর থানার অস্ত্র মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার ১৮তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে মাদক কারবারের সন্দেহে আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে ফয়সালকে আটক করা হয়। পরে তিনি নিজের নাম ফয়সাল বলে পরিচয় দেন।
র্যাব জানতে পারে, তিনি আদাবর থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলার এক নম্বর আসামি। পরবর্তীতে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। অস্ত্রের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-২ এর হাবিলদার মো. মশিউর রহমান পরদিন ৮ নভেম্বর আদাবর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
মামলাটি তদন্ত করে ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এ মামলায় ফয়সাল গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। পরে তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদী। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এ হত্যাকাণ্ডে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে।
তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি ফয়সালসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে এ অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

_medium_1777534043.jpg)
_medium_1777533169.jpg)
_medium_1775544078.jpg)



