পূর্বধলায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের শাড়ি বিতরণ করলেন মানসুরা আলম
নাহিদ আলম, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ বিকাল

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলায় সুবিধাবঞ্চিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পূর্বধলা সর্বজনীন কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরে এ শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মানসুরা আলম।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, পূর্বধলা উপজেলা শাখার সভাপতি তরুণ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরের সহসভাপতি দীপক রঞ্জন সরকার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম ফকরুল হাসান, হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার ভাদুড়ী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, পূর্বধলা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কর, পূর্বধলা সর্বজনীন কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী, মন্দির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিকাশ ঘোষ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আব্রাহাম লিংকন।
এ সময় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মানসুরা আলম শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং নাগরিক হিসেবে সবার সমান মর্যাদার বিষয়টি ধারণ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির দৃষ্টিতে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা সমান। ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিভাজন করা উচিত নয়। এ দেশে কেউ সংখ্যায় বেশি, কেউ কম-কিন্তু সবাই একই দেশের নাগরিক। একজনের উৎসব অন্যজনের দায়িত্ব।
মানসুরা আলম বলেন, মুসলমানেরা যেভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদ্যাপন করেন, তেমনি দুর্গাপূজাসহ অন্য ধর্মের উৎসবও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে। পূর্বধলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সুখে-দুঃখে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন। এই সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
নিজের দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর সামর্থ্য অনুযায়ী মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পূর্বধলাবাসীর সমস্যা ও অভাব দূর করতে নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে সবার পাশে থাকারও আশ্বাস দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চেতনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক। একে অপরের পাশে থেকে। হাতে হাত রেখে সবাই মিলে বাংলাদেশ গড়তে হবে। বাংলাদেশ সবার।


_medium_1792250478.jpg)




