রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম

শেরপুরে পর্যটন মোটেলর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত সচিব


  রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ :  ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১০ দুপুর

শেরপুরের গারো পাহাড় এলাকায় আগত পর্যটকদের জন্য আবাসন, নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে মোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পর্যটন উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মোটেল নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) ফররুখ আহম্মদ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার রাংটিয়া এলাকায় সরকারি প্রায় দুই একর জায়গা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে প্রস্তাবিত স্থানের অবস্থান, আয়তন ও পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন অতিরিক্ত সচিব।

স্থানটি পরিদর্শন শেষে তিনি মুঠোফোনে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য শেরপুর জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়ার নির্দেশনা দেন।

এ সময় শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমীন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশকেন্দ্র, নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্ক সহ সীমান্তের তিন উপজেলার গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক বেড়াতে আসেন। 

তবে পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন ও নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হন। প্রস্তাবিত স্থানে মোটেল নির্মাণ করা হলে পর্যটকদের আবাসন ও নিরাপত্তা সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

একই সঙ্গে পর্যটনকেন্দ্রকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটননির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। মোটেল নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশকেন্দ্রের পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত