আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিবৃতি, নারীমুক্তি গাইবান্ধা জেলা শাখার
আসাদুজ্জামান রুবেল
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ দুপুর

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষন করে খুনসহ,বিভিন্ন জায়গায় নারীধর্ষণের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি,জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিবৃতি বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র,গাইবান্ধা জেলা।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করে খুনসহ বিভিন্ন জায়গায় নারী ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি,জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সুভাসিনী দেবী ও সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী।
নেতৃবৃন্দ বলেন,গত ২৮/০২/২৬ তারিখ রাতে একজন স্কুল শিক্ষিকাকে তার নিজ বাসায় হাত,পা, বেধে ধর্ষণ করে হত্যা,মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কতৃক ছাত্রীকে ধর্ষন ফলে জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং আইনগতভাবে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ার কারনে একই ঘটনার বার বার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বিগত ১ বছরে গাইবান্ধা জেলা প্রায় ২০০ এর মত নারী শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে এগুলোর যদি সঠিক বিচার হত এবং দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি পেত তাহলে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হত না এবং সেই সাথে জেলায় উদ্বেগজনক হারে মাদক,জুয়ার রমরমা ব্যবসা চলছে প্রসাশনের নাকের ডগায়। এসব ব্যাপারে কার্যকর কোন উদ্যোগ না থাকায় সামাজিক এবং সাংসস্কৃতিক অবক্ষয় ঘটছে।
ফলে বিচারহীনতা, শাসক গোষ্ঠীর আশ্রয় প্রশ্রয়, সঠিক আইনী পদক্ষেপের অভাব,অপরাধী শাস্তি না হওয়ার ফলে এইসব ঘটনা ঘটছে। অতীতে আমরা দেখেছি ধর্ষণ গণধর্ষণ বা নারী নিপীড়নের ঘটনাগুলোর বিচার হয়নি। ধর্ষকরা অর্থ অথবা ক্ষমতার ছত্রছায়ায় নিরাপদে থেকেছে। সাইবার বুলিং,মব,ধর্ষণ-গণধর্ষণ,নারীকে নানাভাবে আক্রমণ, অশ্লীল গালিগালাজ, হেনস্থা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নারীকে ব্যবহার,নির্যাতন নিপীড়নের প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় কোন দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ আমরা দেখছি না। একটি অপরাধের বিচার না হলে শত অপরাধ জন্ম নেয়।আমরা গাইবান্ধা জেলায় দেখছি কিভাবে হ্যাকার চক্রের পক্ষ নেওয়া হলো সেগুলোর দৃষ্টান্তমূলক কোন শাস্তি হয়নি।
সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়ার আইনের প্রতি মানুষ বীতশ্রদ্ধ হয়।ফলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধী দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ঘরে- বাইরে নারীসহ সকল মানুষের নিরাপত্তা দিতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে বর্তমান নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রশাসনকে আরও কার্যকর ভুমিকা নিতে হবে।পাশাপাশি সকল গণতন্ত্রমনা মানুষকে নারী নিপীড়ক ধর্ষকদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।



_medium_1772521135.jpg)



