পূর্বধলায় স্থানীয় উদ্ভাবিত প্রযুক্তি নিয়ে দুই দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রদর্শনী শুরু
নাহিদ আলম, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ দুপুর

স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণে সচেতনতা বাড়াতে নেত্রকোণার পূর্বধলায় দুই দিনব্যাপী সেমিনার ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন, পূর্বধলা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) যৌথভাবে এ আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোণার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুখময় সরকার।
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরের সহকারী সচিব মো. মোজাম্মেল হক।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিসিএসআইআরের আইইআরডির সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার সুমন চন্দ্র দেবনাথ। তিনি স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সম্ভাবনা, ব্যবহার এবং টেকসই উন্নয়নে এসব প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরেন।
সেমিনারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পূর্বধলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জায়েজুল ইসলাম, পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিক মামুন, মৌদাম সেসিপ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।

সেমিনার শেষে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী প্রযুক্তি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। ১৯ ও ২০ জুন অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে উপজেলার ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবিত ও লাগসই প্রযুক্তি নিয়ে স্টল স্থাপন করেছে।
প্রযুক্তি প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুখময় সরকার সাংবাদিকদের বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও গবেষণায় উৎসাহিত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরকার উদ্ভাবন ও গবেষণাকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করা, তাদের উদ্ভাবনকে মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় উদ্ভাবকদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপজেলা প্রশাসন সবসময় স্থানীয় উদ্ভাবকদের পাশে থাকবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।




_medium_1781792830.jpg)


