সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম

নেত্রকোনা-৫ আসনে বাতিল ভোটের চেয়েও কম ভোট পেলেন হাতপাখার প্রার্থী, জামানত বাজেয়াপ্ত


  নাহিদ আলম, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ :  ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:০৬ দুপুর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৬১ নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে বাতিল হওয়া ভোটের চেয়েও কম ভোট পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি নুরুল ইসলাম হাকিমী। প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ (আট ভাগের এক ভাগ) ভোট না পাওয়ায় তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, হাতপাখা প্রতীকের এই প্রার্থী পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৪১ ভোট, যা মোট প্রদত্ত ভোটের ২ দশমিক ০২ শতাংশ। একই আসনে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৩৮টি ভোট (২ দশমিক ৩৮ শতাংশ)। অর্থাৎ তাঁর প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫৯৭টি বেশি।

আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১১৭ জন। এর মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৮৬৮ জন (৫৮ দশমিক ২১ শতাংশ)। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩০টি (৫৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ)।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ (আট ভাগের এক ভাগ) ভোট পেতে ব্যর্থ হলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সে হিসেবে প্রয়োজনীয় ভোটের তুলনায় অনেক কম ভোট পাওয়ায় তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

এ আসনে পোস্টাল ভোটসহ মোট ৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সহকারী অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা। তিনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আবু তাহের তালুকদার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট। দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৭৬৫।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান খান বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত